মমিনুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আজ (বুধবার) নগরীর পতেঙ্গা এলাকায় অবস্থিত আকমল আলী ঘাটে অভিযান চালিয়ে পাঁচ হাজার মিটার কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া সীতাকুণ্ড উপজেলায় অভিযান চালিয়ে আরও দুই হাজার মিটার, সন্দ্বীপ উপজেলায় আরও ছয় হাজার মিটার এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে মীরসরাই উপজেলায় অভিযান চালিয়ে দুই হাজার মিটার কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়। জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।’
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘১ অক্টোবর থেকে নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। এরপর থেকে গত চার দিনে মহানগর ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় এখন পর্যন্ত সাতটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। এছাড়া ২৭টি মাছ অবতরণ কেন্দ্র, একশ আটটি মাছের ঘাট, একশ ১৮টি মাছের আড়ত এবং তিনশ ৬৮টি বাজার পরিদর্শন করা হয়েছে।’
জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে চারটি মামলায় ১৪ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা এবং একজনকে সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ২২ অক্টোবর পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, গত ১ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে ইলিশ ধরার ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। মা ইলিশ রক্ষা ও তাদের ডিম ছাড়ার সুযোগ করে দিতেই এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব হামিদুর রহমানের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়।
আরও পড়ুন-
নরসিংদীতে ধর্ষণের পর হত্যা: তিন আসামির ফাঁসি
মুন্সীগঞ্জের জেলেদের জন্য নেই চালের বরাদ্ধ, বিকল্প কর্মসংস্থানও নেই