মামলার এজাহারে খাদিজাকে পাবনা ও হাদিসুরকে জয়পুরহাটের বাসিন্দা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আবুল বাশার মিয়া জানান, আজ মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে খাদিজাকে আদালতে নিয়ে যাওয়া কথা রয়েছে।
এদিকে, ‘অপারেশন মেল্টেড আইসে’র ঘটনাস্থল যশোরের ঘোপ নওয়াপাড়া রোড জামে মসজিদের পাশের চারতলা ভবনটি এখন সুনসান। আশপাশের মানুষদের মধ্যেও সন্ত্রস্ততা কাটেনি। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, খাদিজা-হাদিসুর দম্পতির ফ্ল্যাটটি তালাবদ্ধ। সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ওই ফ্ল্যাটের উল্টোদিকের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া কথা বলতে চান না। কেবল বলেন বাড়ির মালিকের সঙ্গে কথা বলতে।
মামলা প্রসঙ্গে কথা হয় বাদী ইনস্পেক্টর তোফায়েল আহমেদের সঙ্গে। তিনি জানান, হাদিসুর গত তিন-চারদিন বাসায় আসে না বলে পুলিশকে জানিয়েছে খাদিজা। জানা গেছে, জঙ্গিদের সঙ্গে মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে যোগাযোগ রাখত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করা হাদিসুর। খাদিজা ও হাদিসুরের জঙ্গি কার্যক্রমে জড়িত থাকার বিষয়ে জানতে রিমান্ডের আবেদন করা হবে বলেও জানান ইনস্পেক্টর তোফায়েল আহমেদ।
উল্লেখ্য, জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে গত রবিবার (৮ অক্টোবর) রাত থেকে পুলিশের কয়েকটি টিম যশোরের নওয়াপাড়া জামে মসজিদের পাশের খাদিজার ফ্ল্যাটটি কর্ডন করে রাখে। পরদিন সোমবার (৯ অক্টোবর) দিনভর পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট খাদিজাকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানায়। দুপুর ৩টার দিকে খাদিজার বাবা নিজাম উদ্দিন ও মা ওই বাসায় এলে সন্তানদের নিয়ে আত্মসমর্পণ করে খাদিজা। বিকাল ৫টার পর পুলিশের অ্যাডিশনাল ডিআইজি (খুলনা) ইকরামুল হাবিব এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে অপারেশন মেল্টেড আইস সমাপ্ত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন-
কুষ্টিয়ায় ইউএনও অফিসে চুরি
খুমেক হাসপাতালে মানসিক ওয়ার্ড চালুর উদ্যোগ