দণ্ডিতরা হলো উপজেলার চর আলাউদ্দিন গ্রামের মো. জসিম উদ্দিনের ছেলে মো. শেখ ফরিদ(২৪), সিরাজুল মাওলার ছেলে মো. সোহাগ(২৮), জামশেদ উদ্দিনের ছেলে মাঈন উদ্দিন(২৬) ও একই গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে মো. রিয়াজ (১৮) ও হুমায়ন কবিরের ছেলে ফয়সল (১৯)।
বুধবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে সুবর্ণচর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজাউল করিম ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা পীযুষ প্রভাকর চর আলাউদ্দিন এলাকায় অভিযান চালান। এসময় আইন অমান্য করে ইলিশ ধরার অভিযোগে মৎস্য সংরক্ষন আইন ১৯৫০ অনুযায়ী মো. শেখ ফরিদ, মো. সোহাগ ও মাঈন উদ্দিনকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও একই গ্রামের মো. রিয়াজ ও ফয়সলকে ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। এসময় ৩ হাজার মিটার জাল ধ্বংস ও ১৫ কেজি মাছ জব্দ করা হয়।
হাতিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফরিদ হোসেন বুধবার বিকালে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন,‘অভিযান শেষে হাতিয়ার তমরুদ্দি ঘাটে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) খোন্দকার রিজাউল করিমের উপস্থিতিতে জব্ধ করা জালগুলো পোড়ানো হয়। যার বাজার মূল্য আনুমানিক ৫৪ লাখ টাকা। মেঘনার কলাপাড়া এলাকায় দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে ১টার দিকে নদীতে ইলিশ ধরার জাল ফেলে রাখতে দেখা যায়। পরে কোস্টগার্ডের সহযোগিতায় জালগুলো নদী থেকে তুলে নেওয়া হয়।’
আরও পড়তে পারেন:
বাংলা ট্রিবিউনে প্রতিবেদনের পর যমুনা নদীতে অভিযান