চাটখিলে নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

নোয়াখালীনোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার পাঁচগাঁও ইউনিয়নের আফছারখিল গ্রামে কোহিনুর আক্তার (৫৫) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।  তাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ করেছেন স্বজনরা। শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) বিকাল ৫টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে।  

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জহিরুল আনোয়ার জানান, খবর শুনে তার নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে বিধায় পুলিশ এখনও ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার রাত ৮ টার দিকে পৌরসভার দৌলতপুর গ্রামের গোলাম কিবরিয়া মিলনের ছেলে ব্রডব্যান্ড ব্যবসায়ী মাইন উদ্দিনকে আফছারখিল গ্রামের হাজী বাড়ির রাস্তার মাথা নামকস্থানে সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় মাইন উদ্দিনকে ঢাকার ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মাইন উদ্দিনের চাচা দেলোয়ার হোসেন আফছারখিল গ্রামের সোহাগ, রনি, সাকিল, ইউপি মেম্বার আশিকসহ সাত জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছে।

ওই ঘটনার জের ধরে শুক্রবার বিকাল ৫ টার দিকে দৌলতপুর গ্রামের ৪০-৫০ জন লোক লাঠিসোটা নিয়ে আফছারখিল গ্রামে হামলা চালায়। হামলাকারীরা মামলার প্রধান আসামি সোহাগ, রনি, ইউপি মেম্বার আশিকের ঘরসহ ১০-১৫টি ঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। এক পর্যায়ে হামলাকারীদের লাঠির আঘাতে মামলার প্রধান আসামি সোহাগের মা কহিনুর আক্তার (৫৫) ঘটনাস্থলেই মারা যান। হামলাকারীরা ওই ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী সদস্য ফারজানা বেগমের ঘরে ঢুকে তাকে বেদম মারধর করে ও তার ঘরের আসবাবপত্রসহ ঘরের মূল্যবান সামগ্রী ভেঙে তছনছ করে ফেলে।

কহিনুরের মেয়ে সালমা জানান, সন্ত্রাসীরা এক পর্যায়ে তাদের ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এছাড়া সন্ত্রাসী হামলায় ইউপি সদস্য আশিকের স্ত্রী মর্জিনা ও তার দুই ছেলে আদিল মাহমুদ ও আনিল মাহমুদসহ পাঁচ জন আহত হয়েছেন।