রূপসায় নৌকাবাইচ





রূপসা নদীতে নৌকাবাইচ শিল্প ও বন্দর নগরী খুলনার তীর ঘেঁষে বহমান কিংবদন্তি রূপসা নদীতে প্রতিবারের ন্যায় নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নগর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র প্রতিযোগিতাটির আয়োজন করে। ১২তম নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার পৃষ্ঠপোষকতা করেছে গ্রামীণফোন। সহযোগিতায় ছিল খুলনা জেলা প্রশাসন।

শনিবার সকালে এই আয়োজনকে ঘিরে নগরীতে আয়োজন করা হয় একটি বর্ণাঢ্য র্যা লি। পরবর্তীতে দুপুর দু’টায় ১ নম্বর কাস্টম ঘাটে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে বিকাল চারটা ৪০ মিনিটে শেষ হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে ছিলেন সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া, জেলা প্রশাসক আমিন উল আহসান, খুলনা অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মাহবুব হাকিম, বিসিবি পরিচালক শেখ সোহেল, খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী পলাশ কান্তি বালা, খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির মহাসচিব শেখ মোশাররফ হোসেনসহ অনেকে।

রূপসা নদীতে নৌকাবাইচ নগর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র থেকে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সভাপতি মোল্লা মারুফ রশীদ, সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান রহিম, সহসভাপতি আখতার উদ্দিন পান্নু, প্রধান উপদেষ্টা শেখ আশরাফ-উজ-জামানসহ অন্যান্যরা। গ্রামীণফোন থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইকেল ফ্যলে, খুলনা সার্কেল হেড মোল্লা নাফিজ ইমতিয়াজ, খুলনা সার্কেল হেড অব মার্কেটিং পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য ও অন্যান্য কর্মকর্তারা।

প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সিনিয়র সহকারী সচিব বিল্লাল হোসেন খান, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক অফিসার এস কে এম তাসাদুজ্জামান, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক খালেক শিকদার, প্রচার সম্পাদক মিজানুর রহমান জিয়া, কে ডি এস সদদ্য মোঃ মোতালেব মিয়া ও সমাজ সেবক মনিরুজ্জামান সাগর।

এবারের প্রতিযোগিতায় কয়রা, পাইকগাছা, তেরখাদা, কালিয়া, নড়াইল থেকে ১২টি বড় এবং ১০টি ছোট বাইচ দল অংশ নেয়। এছাড়াও গোপালগঞ্জ, মাদারিপুর ফরিদপুর এলাকার ৬টি বাচারি নৌকা নিয়ে একটি বিশেষ দল তৈরি করা হয়েছিল।