রাখাইন রাজ্য থেকে নাফ নদী পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আসার সময় এখন পর্যন্ত নৌকাডুবির ঘটনায় ১২ রোহিঙ্গার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৬ অক্টোবর) টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে উদ্ধারকৃত মৃতদেহগুলোর মধ্যে রয়েছে পাঁচ জন নারী ও সাতটি শিশু। এছাড়াও ২১ রোহিঙ্গাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাইনুদ্দিন ও টেকনাফ কোস্টগার্ডের স্টেশন কমান্ডার জাফর ইমাম সজিব এসব তথ্য জানিয়েছেন।
অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কারণে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। ভোর থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় মৃতদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।
টেকনাফ কোস্টগার্ডের স্টেশন কমান্ডার জাফর ইমাম সজিব বলেন, ‘১২টি লাশের মধ্যে পাঁচ জন নারী ও সাতটি শিশুর লাশ রয়েছে। ভোররাতে পাঁচটি, সকালে পাঁচটি ও দুপুরে দুটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।’
এ ব্যাপারে ওসি মো. মাইনুদ্দিন বলেন, ‘সোমবার ভোররাতে নাফ নদী দিয়ে রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার সময় রোহিঙ্গাবোঝাই একটি নৌকা ডুবে যায়। এ ঘটনায় প্রায় ৩৫ জন নিখোঁজ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’ স্থানীয় কোস্টগার্ড এবং বিজিবির সহযোগিতায় উদ্ধার অভিযান অব্যাহত আছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত ২৪ আগস্ট রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার পর নাফ নদী পার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার সময় এখন পর্যন্ত দুই শতাধিক রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ও শিশুর প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
এ সংক্রান্ত সংবাদ:
নাফ নদীতে নৌকাডুবি: ১০ রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার
জেলা প্রশাসকের উপস্থিতিতে পাঁচ হাজার রোহিঙ্গাকে টিকা খাওয়ানো হয়েছে