ছাত্রলীগের বিদ্যমান দুইপক্ষের একটি গ্রুপ মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী। অপরপক্ষ বৈদেশিক কল্যাণ ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি’র অনুসারী বলে জানিয়েছে পুলিশ।
হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আলাউদ্দিন তালুকদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘চট্টগ্রাম কলেজে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজন মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী। অন্য দুজন বিএসসি'র অনুসারী।’
মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুল করিম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা আজ (সোমবার) ক্লাস করতে ক্যাম্পাসে গেলে তারা পরিকল্পিতভাবে বহিরাগতদের নিয়ে এসে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। পরে আমরা পাল্টা ধাওয়া দিলে পুলিশ এসে লাঠিচার্জ করে আমাদের ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়।’
নুরুল ইসলাম বিএসসির অনুসারী যুবলীগ নেতা নুরুল মোস্তফা টিনু বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের ছেলেরা আজ ক্যাম্পাসে ক্লাস করতে গেলে তারা সবুজ ও রাহুল শীলকে পিটিয়ে আহত করে। খবর পেয়ে আমাদের ছেলেরা গিয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।’
চকবাজার থানার ওসি নুরুল হুদা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘রবিবার ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই পক্ষ আজ আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাঠিচার্জ করে উভয় পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে। বর্তমানে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’