আবু বকর সিদ্দিক জানান, দুদক প্রধান কার্যালয়ের স্মারক নং দুদক/দর/১৫/২০১৭/পাবনা/অনু ও তদন্ত-২/৩০৮২৯, তাং ১২/১০/২০১৭ এবং রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের স্মারক নং বিকা/দর/১৫/২০১৭/পাবনা/১৬৯৩ (২), তাং ২৩/১০/২০১৭ অনুমোদনপত্রের নির্দেশে দুদক সমন্বিত পাবনা কার্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে এডওয়ার্ড কলেজে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছে।
তিনি জানান, মঙ্গলবার অনুসন্ধানের অনুমোদন ও আদেশপত্র পাওয়ার পরই দুদকের কর্মকর্তারা অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছেন। এই অনুসন্ধান কার্যক্রমে পাবনা সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. শহীদুল আলম সরকার ও উপ-সহকারী পরিচালক মো. সাইদুর রহমানকে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিযুক্ত করা হয়েছে। অনুসন্ধান কার্যক্রমের সার্বিক তদারকি করবেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. আবু বকর সিদ্দিক।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, কলেজের মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য নির্মাণ, কলেজ মাঠে মাটি ভরাট, সরকারি ক্রয়ে অনিয়ম, বিধি বহির্ভুতভাবে উন্নয়ন-সংস্কার কাজে অনিয়ম, ১৭ বছর ছাত্র সংসদের কার্যক্রম না থাকলেও ওই তহবিল থেকে অর্থ আত্মসাৎ, প্রসপেক্টাস-প্রশংসাপত্রের মাধ্যমে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে অর্থ আদায় ও আত্মসাৎ, কলেজের নামে বিজ্ঞানাগারে আধুনিক ও যুগোপযোগী যন্ত্রপাতি ক্রয়ে অর্থ আত্মসাৎ, কলেজ বাসের যন্ত্রাংশ ক্রয় ও মেরামতের নামে ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ, উপ-বৃত্তির টাকা আত্মসাৎ, শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা খাত থেকে অর্থ লোপাটসহ নানা অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
দুদক সূত্র জানায় ২০১৬ সালে অনার্স ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক শিক্ষক একেএম শওকত আলী খান প্রায় ৫ লাখ টাকার খরচ দেখিয়ে বিল জমা দিয়েছেন। অথচ ভর্তি পরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত ওই কমিটির কোনও অর্থ খরচ হয় না বলে জানা গেছে। কিন্তু ইতোমধ্যেই খরচ হিসেবে প্রায় ৫ লাখ টাকা খরচ দেখিয়ে ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক ও কলেজের অধ্যক্ষ ওই অর্থ ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।