কুমিল্লা শহরের ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত করতে অভিযান চালিয়েছে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) ও জেলা প্রশাসন। বুধবার (২৫ অক্টোবর) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয়। এসময় কুমিল্লা নগরীর পুলিশ লাইন থেকে কান্দিরপাড় পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে গড়ে উঠা ফুটপাত ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
কুসিক মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর উপস্থিতিতে এ অভিযান চালানো হয়। কুসিক সূত্র জানায়, আজ (বুধবার) থেকে কুসিক ও জেলা পরিষদের যৌথ উদ্যোগে নগরীর বিভিন্ন সড়কে ফুটপাত দখলমুক্ত করার অভিযান শুরু হয়েছে। কুসিকের তালিকা অনুযায়ী ১৯টি ভবনের নকশা বহির্ভূত বর্ধিত অংশ ভেঙে দখলমুক্ত করা হবে। এছাড়া নগরীর বহুতল ভবনের বেইজমেন্টগুলোতে অবৈধভাবে গড়ে উঠা হোটেল-রেস্টুরেন্টগুলো ভেঙে তালা লাগিয়ে দেওয়া হবে।
সূত্র আরও জানায়, কুসিকের দেওয়া নকশা অনুযায়ী পাঁচ তলার ওপরে অবৈধভাবে বাড়তি দুই তলা নির্মাণ করায় নগরীর কান্দিরপাড় গোল্ডেন টাওয়ার দখলমুক্ত করতে যায় কুসিক ও জেলা প্রশাসন। এসময় ভবন কর্তৃপক্ষ সময় দাবি করেন। এরপর কুসিকের মেয়র মনিরুল হক সাক্কু কর্তৃপক্ষকে তিন দিনের সময় বেঁধে দেন।
এ ব্যাপারে কুসিক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু বলেন, ‘আজ থেকে আমাদের দখলমুক্ত ও ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা শুরু হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। নগরীর বিভিন্ন সড়কের দুই পাশে গড়ে উঠা নকশা বহির্ভূত ভবনের বর্ধিত অংশ ভেঙে দখলমুক্তকরণ, দুই পাশের ফুটপাত উচ্ছেদ, বহুতল ভবনের বেইজমেন্ট ভেঙে তালা লাগানো হবে। এছাড়া নগরীর যানজট দূর করার জন্য সড়কের ওপর অবৈধ গাড়ি পার্কিং এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার স্ট্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অভিযুক্ত ১৯টি ভবন ও বেইজমেন্টের কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার নোর্টিশ দেওয়া হয়েছে। তারা ব্যক্তিগতভাবে কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় আজ অভিযান শুরু করেছি।’
অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন, কুসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপম বড়ুয়া, সচিব হেলাল উদ্দিন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওরীন হকসহ পুলিশ সদস্যরা।