জানা গেছে, জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের পর আংশিক ঘোষিত কমিটিতে নিজ নিজ বলয়ের নেতাদের কাঙ্ক্ষিত পদ না পাওয়ায় এ হামলা চালানো হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
শনিবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ১৫-২০ জনের একটি গ্রুপ দেশীয় অস্ত্রসহ শহরের চৌমুহনা এলাকার রাস্তায় একটি ট্রাক ভাঙচুর করে। একই সময় অন্য একটি গ্রুপ পৌরসভা ভবনের দোতলায় বেশ কয়েকটি জানালার গ্লাস ভাঙচুর ও ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে।
পরে তারা কোর্ট রোডের কাশীনাথ আলাউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে মাসব্যাপী চলা শিল্প ও বাণিজ্য মেলায় হামলা করে। তারা মেলার গেটসহ কয়েকটি দোকান ভাঙচুর করে।
এ ঘটনার পর থেকে শহরের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে মৌলভীবাজার মডেল থানার ওসি সোহেল আহমদ হামলার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের চিহ্নিত করা হবে এবং হামলার কারণও খতিয়ে দেখা হবে।’
এ বিষয়ে জানতে শনিবার রাত ১১ টায় মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ফজলুর রহমানের মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি কোনও কথা বলতে রাজি হননি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলা আওয়ী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান সহসম্পাদক মো. কামাল হোসেনের অনুসারী নেতাকর্মীরা এ হামলা চালিয়েছে।