সোমবার (৩০ অক্টোবর) সকালে বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রূপান্তর-এর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
গণশুনানিতে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন প্রধান অতিথি খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. মিজানুর রহমান মিজান। তিনি বলেন, ‘বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রশাসন কঠোর ভূমিকা পালন করছে। সুন্দর আগামী প্রতিষ্ঠায় দেশে বাল্যবিবাহ শূন্যতে নামিয়ে আনতে শুধু সরকার এবং প্রশাসনকে কাজ করলে হবে না। সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।’
প্ল্যানইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহায়তায় রূপান্তর পরিচালিত ‘গার্লস অ্যাডভোকেসি অ্যালায়েন্স’ প্রকল্পের পক্ষ থেকে আয়োজিত এ গণশুনানিতে সভাপতিত্ব করেন রূপান্তর-এর নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ধনঞ্জয় সাহা বাপি। রূপান্তরের কর্মসূচি সমন্বয়কারী অসীম আনন্দ দাসের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র রুমা খাতুন, সমাজসেবা অধিদফতরের উপ-পরিচালক শেখ মাহিনুল হক এবং উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা বিপাশা দেবী তনু। গণশুনানিতে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণ করেন শিশুসুরক্ষা কমিটির সদস্য উজ্জ্বল রায়, বনানী সুলতানা ঝুমু, গাজী তহিদুর রহমান টুকু, ডা.এ কে বিশ্বাস, ক্ষমা রাণী দাস, অ্যাডভোকেট নূরুন্নাহার পলি, পারভীন আক্তার, হিন্দু বিবাহ রেজিস্ট্রার ব্রজেশ রায়, সাংবাদিক এইচ এম আলাউদ্দিন, হেদায়েত হোসেন, মো. নূরুজ্জামান প্রমুখ।
প্রধান অতিথি তার ভাষণে বলেন, ‘বর্তমান সরকার নারীর ক্ষমতায়নে নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। নারীর জন্য অবৈতনিক শিক্ষা চালু, উপবৃত্তি প্রদান, চাকরিতে নারীদের জন্য ‘কোটা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এর সুফল ইতোমধ্যেই পেতে শুরু করেছেন নারীরা। এই উদ্যোগগুলো সফল করার দায় সবার।’
অনুষ্ঠানে শিশু সুরক্ষা কমিটির সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ সরাসরি প্রশ্ন করেন। অতিথিরা সেসব প্রশ্নের উত্তর দেন।
আরও পড়ুন:
বাল্যবিয়ের জন্য জনপ্রতিনিধিরা কেন দায়ী নয়: হাইকোর্ট