রূপা হত্যায় দোষীদের বিচার দাবি আসামির পরিবারের

mymensingh picture(1) 30-10-17টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাস থেকে ফেলে রুপা খাতুন নামে এক নারীকে হত্যার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন মামলায় অভিযুক্ত আসামির পরিবারের সদস্যরা।

সোমবার দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আসামিদের স্বজন আনোয়ারুল হক নান্নু।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রুপা হত্যার ঘটনায় পুলিশি তদন্তে বগুড়া থেকে ময়মনসিংহগামী নিরাপদ ছোয়া পরিবহনের চালক ও হেলপারদের জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু ঘটনাটি ঘটে একই রুটের মুক্তা পরিবহনে। এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবহন শ্রমিক বিল্লাল হোসেন ঘটনার দিন মুক্তা পরিবহনে অবস্থান করছিলেন। তার সামনেই রুপা খাতুন চলন্ত বাস থেকে লাফ দেন। ঘটনার পর যাত্রী বিল্লাল বাসটি থামাতে বললেও বাসের সুপারভাইজর দানেশ চালককে থামতে নিষেধ করেন। ঘটনার পর থেকে মুক্তা পরিবহন সার্ভিসের হেলপার ও চালকরা কয়েকদিন পলাতক ছিলেন, বন্ধ ছিল বাস সার্ভিসও। এ ঘটনায় বিল্লালকে পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেই প্রকৃত রহস্য জানা যাবে।

এছাড়া সেদিন বগুড়া থেকে ছেড়ে আসা মুক্তা পরিবহন ও নিরাপদ ছোয়া পরিবহন বাসের ছাড়ার সময় এবং যুমনা সেতুর টোল প্লাজার ভিডিও ফুটেজ দেখলেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে জানানো হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৫ আগস্ট রাতে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার অরুণখোলা পঁচিশমাইল থেকে রুপা খাতুন নামে এক যুবতীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে মধুপুর থানার এসআই আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা হত্যার উদ্দেশে যুবতীকে চলন্ত গাড়ি থেকে রাস্তায় ফেলে দেয়। এই ঘটনায় পরদিন মধুপুর থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলা (নং-২৪) করা হয়। এই মামলায় পুলিশ ময়মনসিংহ বগুড়া রুটের নিরাপদ ছোয়া পরিবহনের হেলপার শামীম, আকরাম, জাহাঙ্গীর আলম, চালক হাবীব মিয়া ও সুপারভাইজর ছবর আলীকে গ্রেফতার করেছে। গত ১৫ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। আসামিরা বর্তমান জেল হাজতে রয়েছে।

আরও পড়ুন:
স্পিকারের সাড়া পেলেই প্রতিবন্ধীদের জন্য খেলার মাঠ নির্মাণ শুরু হবে