এর আগে গত ২ অক্টোবর খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম চালের আমদানিকারক, চালের মজুতদার, আড়তদার, খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায়ীদের খাদ্য অধিদফতর থেকে নতুন করে লাইসেন্স নেওয়ার নির্দেশনা দেন। এসময় ১৫ দিন পরপর ব্যবসায়ীদের গুদামে মজুত করা চাল ও গমের হিসাব স্থানীয় খাদ্য অধিদফতরকে অবহিত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়। লাইসেন্স নেওয়ার সময় ব্যবসায়ীদের সময় বেঁধে দেওয়া হয় ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানি রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি মো. হারুন উর রশীদ হারুন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ থাকলেও এ পর্যন্ত মাত্র ১৫ জন ব্যবসায়ী লাইসেন্স নিয়েছেন, যদিও ব্যবসায়ীর সংখ্যা প্রায় একশ। বাকি ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আশা করছি, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই তারা লাইসেন্স নেবেন।’
উপজেলা খাদ্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী আমদানিকারক, আড়তদার থেকে শুরু করে খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীদেরও নতুন করে ফুড লাইসেন্স নিতে হবে। ৩০ অক্টোবরের মধ্যে এই লাইসেন্স নেওয়ার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাত্র ১৪ জন আমদানিকারক, ১২ জন পাইকারি ব্যবসায়ী ও ১৬ জন খুচরা বিক্রেতা লাইসেন্স নিয়েছেন। এখনও শতাধিক ব্যবসায়ী এই লাইসেন্স নেননি।
হাকিমপুর খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. মিজানুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বড় ব্যবসায়ীরা খুব একটা সাড়া দিচ্ছেন না লাইসেন্স নেওয়ার জন্য। সে তুলনায় ছোট ব্যবসায়ীদের আগ্রহ বেশি। তবে এখনও অনেকেই আসছেন লাইসেন্স নিতে। তাদের আমরা লাইসেন্স নেওয়ার সুযোগ দিচ্ছি। স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতাদের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ করছি। এরপরও ব্যবসায়ীরা লাইসেন্স না নিলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। তারা এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেবেন।’
আরও পড়ুন-
ফেনীতে বাসে আগুন: স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেন ছাত্রদল নেতা মিলন
রোহিঙ্গা যুবকদের জঙ্গিবাদে ঠেলে দিচ্ছে জামায়াতের বিভিন্ন এনজিও: শাহরিয়ার কবির