বিসিকের খাগড়াছড়ি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শিল্পের বিস্তার ও স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকার ১৯৮৭ সালে খাগড়াছড়িতে ১০ একর জমি অধিগ্রহণ করে। জমি অধিগ্রহণের ১০ বছর পর শুরু হয় বরাদ্দ জটিলতা। অবশেষে ২০১১ সালে ১৯টি প্রকল্পের বিপরীতে ১৯ জন উদ্যোক্তাকে ৩৮টি প্লট বরাদ্দ দেয় বিসিক কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এ পর্যন্ত মাত্র চার জন ব্যবসায়ী ছোট পরিসরে কারখানা স্থাপন করে উৎপাদন করছে। কারখানাগুলোর মধ্যে রয়েছে- পানি, পামওয়েল, ময়দা প্রক্রিয়াজাতকরণ ও কুটির শিল্প কারখানা। অন্য উদ্যোক্তারা এখনও কোনও স্থাপনা নির্মাণ করেননি। ফলে প্লটগুলো খালি থাকায় সেটা এখন গো-চারণ ভূমিতে পরিণত হয়েছে।
এসময় তিনি এসব সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
উদ্যোক্তা সেলিম বলেন, ‘খাগড়াছড়ি বিসিক শিল্প নগরীতে চার জন উদ্যোক্তা গত পাঁচ বছরে চারটি কারখানা স্থাপন করেছেন। পর্যাপ্ত কাঁচামাল থাকলেও বিদ্যুৎ ও ঋণ সুবিধা না থাকায় সবাইকে লোকসান দিতে হচ্ছে।’
তিনি সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিসিক কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানান।
বিসিক নগরী খাগড়াছড়ি কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপ-ব্যবস্থাপককেএম সাদেকুর রহমান বলেন, ‘প্লট বরাদ্দ অনেক আগে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মাত্র চার জন সেখানে কারখানা করেছেন। তবে তারাও নানা সমস্যার কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ফলে অন্যরাও নিরুৎসাহিত হচ্ছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিদ্যুৎ, ঋণ, নিরাপত্তাজনিত সমস্যা সমাধানে আমরা কাজ করছি। এসব সমস্যা সমাধানের পর যদি কোনও উদ্যোক্তা শর্তানুযায়ী কারখানা স্থাপন না করেন তবে তাদের বরাদ্দ বাতিল করা হবে।’
আরও পড়ুন:
মিয়ানমারে ফেরার পক্ষে রোহিঙ্গা তরুণরা, আগ্রহ নেই বয়স্কদের