পরিবারের সদস্যরা জানান, গত তিন বছরে দুয়েকবার ফোনে কথা হলেও কখনও দেখা হয়নি ইউনুসের সঙ্গে। ইউনুসকে নির্দোষও মনে করে তার পরিবার।
মাগুরার সদর উপজেলার গাংনালিয়া গ্রামের ইয়াকুব খন্দকারের তিন ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে ইউনুস সবার ছোট। ইউনুসের বড় ভাই ইউসুফ খন্দকার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ইউনুস গত তিন বছরে একবারও বাড়ি আসেনি। আমি তাকে ফোনে বলেছিলাম, বাবা খুব অসুস্থ। তাকে নিয়ে কোথাও দেখা করি। কিন্তু সে তাতেও রাজি হয়নি।’
ইউসুফ আরও বলেন, ‘আমার ভাই রাজনীতি করত, সেটা জানি। তবে ছোট থেকে তাকে যেমন দেখেছি, তাতে অস্ত্র নিয়ে কোনও মানুষকে আঘাত করার মতো ছেলে সে নয়। বিশ্বজিৎ হত্যার ফুটেজে দেখেছি, আমার ভাই অন্যদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করছিল।’
ইউনুসের বাবা ইয়াকুব খন্দকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবসরপ্রাপ্ত ক্যাশিয়ার। প্রায় ৯০ বছর বয়সী ইয়াকুব খন্দকার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমার ছেলে যেখানেই থাকুক, সে যদি আদালতে হাজির হয়ে মামলা চালায় তাহলে অবশ্যই নির্দোষ প্রমাণিত হবে।’
মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াছ হোসেন বলেন, ‘ইউনুস সম্পর্কে কোনও তথ্যই আমার জানা নেই।’