বিশ্ব মানবাধিকার ফাউন্ডেশন ও জার্নালিস্ট সোসাইটি ফর হিউম্যান রাইটসের যৌথ উদ্যোগে আগামী ১৩ নভেম্বর বিকালে বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে ‘সুশাসন ও অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে জনপ্রতিনিধিদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে রফিকুল ইসলাম নওশার তুলে দেওয়া হবে এই সম্মাননা পুরস্কার।
মাদার তেরেসা গোল্ড মেডেল সম্মাননার জন্য মনোনীত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় রফিকুল ইসলাম নওশা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এ অর্জন আমার নয়, এ অর্জন ধাপেরহাট ইউনিয়নসহ সাদুল্যাপুরবাসীর। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে আমি ইউনিয়নের জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কাজ করে যাচ্ছি। ইউনিয়নের সব স্তরের মানুষের সহযোগিতা না পেলে এসব কাজ করা সম্ভব হতো না। তাই ইউপিবাসীকে আমার পক্ষ থেকেও জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’ ইউনিয়নের উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে তিনি সবার কাছে আরও সহযোগিতা কামনা করেন।
এদিকে, রফিকুল ইসলাম নওশা জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান ও মাদার তেরেসা পুরস্কারের জন্য মনোনীত হওয়ায় রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনসহ স্থানীয়রা তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়লাভ করেন রফিকুল ইসলাম নওশা মণ্ডল।