ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলামীন বলেন, ‘তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
গৃহবধূর পারিবারিক সূত্র জানায়, ওই গৃহবধূ আশুলিয়ার পল্লীবিদুৎ এলাকায় ভাড়া বাড়িতে থেকে স্থানীয় পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। পরে ধামরাইয়ের সূতিপাড়া এলাকায় একটি কারখানায় চাকরির জন্য নান্নার ইউনিয়ন পরিষদের ৪নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মর্তুজ আলীর কাছে যান। এতে ইউপি সদস্যের সঙ্গে গৃহবধূর সখ্যতা গড়ে ওঠে। বিয়ের কথা বলে ইউপি সদস্য গৃহবধূকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। পরে গৃহবধূ ধামরাই থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।