পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিলক্ষা ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদমান দুই গ্রুপে টেঁটাযুদ্ধ চলে আসছিল। বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে পরাজিত চেয়ারম্যান আব্দুল হক সরকার ও বর্তমান চেয়ারম্যান তাজুল ইসলামের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ ব্যাপক আকার ধারণ করে। সম্প্রতি দুই পক্ষের সংঘর্ষে কয়েকজন মারা যায়। একাধিকবার স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে সমঝোতা করা হলেও এলাকায় দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে শান্তি ফিরে আসেনি।
রবিবার বিকালে পরাজিত চেয়ারম্যান আব্দুল হক সরকারের সমর্থকরা টেটাঁ বল্লমসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে নিলক্ষা ইউনিয়নের বীরগাঁও গোপীবাড়িতে অতর্কিতে হামলা চালায়। এসময় ভয়ে বাড়ির লোকজন পালিয়ে গেলে হামলাকারীরা বাড়িটির কমপক্ষে ১৫টি ঘরে ভাঙচুর করে অগ্নিসংযোগ ও মালামাল লুট করে। খবর পেয়ে সন্ধ্যায় রায়পুরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
রায়পুরা থানার ওসি দেলোয়ার হোসেন জানান, এলাকায় পুলিশ মোতায়েনের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দুর্গম চরাঞ্চল হওয়ায় অপরাধীরা হামলা চালিয়ে এলাকা ত্যাগ করায় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হচ্ছে না। দুপক্ষই অন্যত্র অবস্থান করে সুযোগ বুঝে এলাকায় গিয়ে ভাড়াটিয়া লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে বারবার সংঘর্ষে জড়াচ্ছে।