মশিউর রহমান জানান, মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নদী, সরকারি জায়গা, সড়ক ও জনপথের জায়গা দখলের সত্যতা পান। এসময় তিনি হেরিটেজ পলিমার অ্যান্ড সেমি টিউবস লিমিটেডের লোকজনকে বালু ভরাট ও সড়ক ও জনপথের জায়গায় গড়ে তোলা সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলারও নির্দেশ দেন।
এদিকে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গা দখল করে গড়ে তোলা টিনসেড সীমানা প্রাচীর ভেঙে দিয়েছে উত্তেজিত এলাকাবাসী। এসময় এলাকাবাসীকে ভাঙচুরে উসকে দেওয়ার সন্দেহে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা রেবায়েত হোসেন শান্ত ও বালু ভরাটে জড়িত জাহিদুল নামের দুজনকে আটক করে পুলিশ। পরে মুচলেকা দিয়ে দুপুরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। সোনারগাঁও থানার ওসি মোরশেদ আলম পিপিএম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ওসি বলেন, ‘অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে টহল জোরদার করা হয়েছে। সঠিক দলিলপত্র থাকলে কোম্পানির কাছ থেকে জমির টাকা আদায় করে দেওয়া হবে। তবে আন্দোলনের নামে কেউ আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে চাইলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
নারায়ণগঞ্জ বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক গুলজার আলী বলেন, ‘বিআইডব্লিউটিএর একটি টিম পাঠানো হবে। মেঘনা নদীর র্তীরবতী এলাকা ভরাট করা হলে কোম্পানিটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’