নিহত ফরিদ হোসেন শরীফ পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের উফারমারা (ঠাকুরপাড়া) এলাকার মো. শামসুল হকের ছেলে। নিহতের পরিচয় রাতেই শনাক্ত করেছে বিজিবি-বিএসএফের যৌথ টহল দল।
রংপুর-৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বুড়িমারী কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) দিবাগত রাত প্রায় দেড়টার দিকে বুড়িমারী ইউনিয়নের আমবাড়ী সীমান্ত পথে ভারতীয় গরু ব্যবসায়ীদের সহযোগিতায় ভারতে অনুপ্রবেশ করে বাংলাদেশি গরু পারাপারকারী রাখাল ফরিদ হোসেনসহ আরও কয়েকজন। এসময় কুচবিহার-৬১ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের বিএসবাড়ী ক্যাম্পের টহল দল তাদের লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুঁড়লে ঘটনাস্থলেই ফরিদ হোসেন ওরফে শরীফ নিহত হন। অন্য বাংলাদেশি রাখালরা পালিয়ে ফেরত আসেন বাংলাদেশে।
নিহত শরীফের লাশ বিএসএফ নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় বুধবার (১৫ নভেম্বর) বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
রংপুর-৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল মেহেদী হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিএসএফ নিহত ফরিদ হোসেন শরীফের লাশ উদ্ধার করে নিয়ে গেছে। বিজিবির পক্ষ থেকে বিএসএফকে এ ঘটনায় কড়া প্রতিবাদপত্র পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশি তরুণের মরদেহ ফেরত চেয়ে চিঠিও পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় বুধবার ভারতীয় কুচবিহার-৬১ বিএসএফ ব্যাটালিয়ন ও রংপুর-৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।’