আহতরা হচ্ছেন, সাটুরিয়া থানার এসআই আসলাম, এসআই হাসান ও কনস্টেবল ওয়াহেদ। আহত আরেকজনের নাম তাৎক্ষণিক জানা যায়নি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিনিধি জানান, আহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে আসলাম ও ওয়াহেদকে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢামেকে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, পেটে গুলিবিদ্ধ এসআই আসলামের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ওয়াহেদের ডান হাতের কব্জিতে গুলিবিদ্ধ হয়েছে।
সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুর রহমান জানান, ডাকাতির খবর পেয়ে সাটুরিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি ট্রাক দিয়ে রাস্তায় ব্যরিকেড দেওয়া হয়। সেখানে একটি মাইক্রোবাসকে চ্যালেঞ্জ করলে সেটি থেকে ককটেল ও গুলি ছোড়া হয়। এসময় পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়ে। এসময় মাইক্রোবাসের আরোহীরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় একজনকে আটক করা হয়।
আহত পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রথমে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক লুৎফর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নাগ জুয়েলার্সের সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা গেছে, সশস্ত্র ডাকাতরা ফিল্মি স্টাইলে রিভলবার উঁচিয়ে দোকানে প্রবেশ করে। তাদের অধিকাংশই মুখোশধারী ছিল। অস্ত্রের মুখেই তারা একে একে দোকানে থাকা সব স্বর্ণালংকার লুট করে তাদের ব্যাগে ঢোকায়। এসময় আশপাশের দোকানিরা এই ঘটনা প্রত্যক্ষ করলেও অস্ত্রের ভয়ে কেউই এগিয়ে আসেননি। এ ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে জেলা শহরের সব দোকানপাট মুহূর্তের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায়। এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুলতানুল আজম আপেল জানান, তিনি দেখেছেন একটি হাইয়েস মাইক্রোবাস ও একটি ট্যাক্সিতে করে ওই সশস্ত্রধারী যুবকরা পালিয়ে যায়। ঘটনার পরপর মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকির হাসান সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।