জালিয়াতির মাধ্যমে কাপড় আমদানির পর ৩৬ টনের চালান আটক

আটককৃত কাপড়ের চালান

চীন থেকে আমদানি করা দেড় কোটি টাকা মূল্যের একটি কাপড়ের চালান ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে খালাসের সময় আটক করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে কাপড়ের এই চালানটি আমদানি করা হয়েছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার চালানটির খালাস স্থগিত করে শুল্ক গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) কায়িক পরীক্ষায় বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর চালানটি আটক করে শুল্ক গোয়েন্দা সদস্যরা।

শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের সহকারী পরিচালক তারেক মাহমুদ  এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জানা যায়, বন্ড সুবিধায় কাপড়ের এই চালানটি নগরীর চট্টেশ্বরী এলাকার অ্যাপারেল অপসন্স (প্রাইভেট) লিমিটেড আমদানি করে। ইউসিবিএল ব্যাংকের এলসি ও অন্যান্য কাগজপত্র দিয়ে চালানটি খালাসের চেষ্টা চালায় সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট প্রতিষ্ঠান প্যারামেক্স ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড।

শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের সহকারী পরিচালক তারেক মাহমুদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অ্যাপারেল অপশন্স (প্রাইভেট) লিমিটেড বন্ড সুবিধায় কাপড়ের চালানটি এনে ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে শুল্কায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্নের মাধ্যমে পণ্য চালানটি খালাস করার চেষ্টা করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভুয়া কাগজপত্রের বিষয়টি জানতে পেরে আমরা কাপড়ের এই চালানটির খালাস স্থগিত করি। পরে কায়িক পরীক্ষায় আমরা ওই চালানে ৩৬ টন উন্নত মানের কাপড় দেখতে পাই এবং কাগজপত্র যাছাই করে দেখি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট কর্তৃক দাখিলকৃত কাগজপত্রগুলো ভুয়া।’

তিনি আরও বলেন, ‘ব্যাংক কর্মকর্তার স্বাক্ষর নকল করে ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে চালানটি আমদানি করা হয়েছে। চালানের ইনভয়েস, প্যাকিং লিস্ট, প্রত্যয়নপত্র ও সেলস কন্ট্রাক্ট সব কিছুই জাল। জালিয়াতির মাধ্যমে পণ্য আমদানির অপরাধে আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে  ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে।’