ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা ফাহিম ও মাহফুজ বলেন, ‘রাঙামাটির লেক, পাহাড় দেখতে ভালো লাগে। তারপরও ঝুলন্ত সেতু অন্যরকম আকর্ষণ আমাদের জন্য। কিন্তু চলাচলের নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে ঝুলন্ত সেতুতে না হেঁটেই ফিরতে হলো। এখনতো সেতুতে পানি নাই, কেন তাহলে চলাচল করতে দিচ্ছে না।’
হোটেল প্রিন্সের স্বত্বাধিকারী মো. নেছার উদ্দিন বলেন, ‘রাঙামাটিতে যারাই আসেন প্রত্যেকে একবার হলেও দুই পাহাড়ের সঙ্গে যুক্ত ঝুলন্ত সেতু দেখতে যান। কিন্তু সেতুটিতে পানি থাকার কারণে লোকজন দেখতে পারছেন না। এখন তো পানি সরে গেছে। তারপরও কেন সেতুটি পর্যটকদের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হলো না, সে বিষয়টি আমার বোধগম্য নয়।’ সেতুটি সংস্কার প্রয়োজন থাকলে তা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে পর্যটকদের জন্য উম্মুক্ত করার দাবিও জানান তিনি।
ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক এসএম শফি কামাল বলেন, ‘দুই একদিনের মধ্যে আমরা পরিদর্শনে যাব। যদি চলাচলের উপযোগী মনে হয় তাহলে সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে।’