কিচেন মার্কেটে প্রতি কেজি শসা ৩৪, লম্বা বেগুন ৩০, গোল বেগুন ৪০, সিম ৪০, ঝিঙ্গা ৬০, মুলা ১০, চিচিঙ্গা ৫০, দেশি আলু ৬০, গাজর ১২০, করল্লা ২০,পটল ৩০, পেঁপে ১৫, কচুর লতি ২০, বরবটি ৩৫ ও মটরশুটি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মাঝারি আকৃতির ফুলকপি প্রতি কেজি ২০, বাধাকপি প্রতি কেজি ১৫ এবং প্রতি পিস লাউ ৩০ এবং এক হালি লেবু ১৫-২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর লালশাক, লাউশাক, পালংশাক, মুলা শাক, কুমড়া শাক, ডাটা শাকসহ নানা ধরনের শাকের আঁটি ১৫-২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
নীলফামারী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক কেরামত আলী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এবারে সবজি চাষে জেলায় লক্ষ্যমাত্রা ছিল চার হাজার ৬০ হেক্টর জমি। তবে বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এবার চার হাজার ৬৫ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ করা হয়েছে।’
তিনি বলেন,অতি বৃষ্টি আর বন্যায় কৃষি জমি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, গুদাম তলিয়ে যাওয়ায় পেঁয়াজ ও মরিচের বাজারের ঝাঁঝ যেন কমছেই না। তবে নতুন পেঁয়াজ বাজারে উঠতে শুরু করেছে। আশা করি দাম কমে আসবে।