কমেছে সবজি-মাছের দাম, বাড়তি পেঁয়াজ-মরিচের

Onion-Pic-(3)নীলফামারীর খুচরা ও পাইকারি বাজারে সবজি ও মাছের দাম কমেছে। তবে দাম বেড়েছে পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের। বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ  ও কাঁচা মরিচ দুটোই ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) জেলা শহরের কিচেন মার্কেট, বড় বাজার, সাহেব বাজার, মাধার মোড়সহ বাজার ঘুরে এমনই চিত্র দেখা গেছে। ক্রেতাদের অভিযোগ,মরিচ ও পেঁয়াজের চড়া দাম বাজারগুলোকে অস্থির করে তুলেছে।

কিচেন মার্কেটে প্রতি কেজি শসা ৩৪, লম্বা বেগুন ৩০, গোল বেগুন ৪০, সিম ৪০, ঝিঙ্গা ৬০, মুলা ১০, চিচিঙ্গা ৫০, দেশি আলু  ৬০, গাজর ১২০, করল্লা  ২০,পটল ৩০, পেঁপে ১৫, কচুর লতি ২০, বরবটি ৩৫ ও মটরশুটি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মাঝারি আকৃতির ফুলকপি প্রতি কেজি ২০, বাধাকপি প্রতি কেজি ১৫ এবং প্রতি পিস লাউ ৩০ এবং এক হালি লেবু ১৫-২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর লালশাক, লাউশাক, পালংশাক, মুলা শাক, কুমড়া শাক, ডাটা শাকসহ নানা ধরনের শাকের আঁটি ১৫-২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

Onion-pic-(2)কিচেন মার্কেটের সবজি বিক্রেতা নুর মোস্তফা মেজ বলেন, ‘বাজারের আগাম সবজি আসতে শুরু করায় দাম অনেকটাই কম। বন্যায়  সংরক্ষণ করা পেঁয়াজ পচে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। আর ভারত থেকে যা আসছে তাও পর্যাপ্ত নয়। তাই দাম বেড়েছে। আবার কাঁচা মরিচের দামও কমছে না।’  

নীলফামারী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক  কেরামত আলী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এবারে সবজি চাষে জেলায় লক্ষ্যমাত্রা ছিল চার হাজার ৬০ হেক্টর জমি। তবে বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এবার চার হাজার ৬৫ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন,অতি বৃষ্টি আর বন্যায় কৃষি জমি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, গুদাম তলিয়ে যাওয়ায় পেঁয়াজ ও মরিচের বাজারের ঝাঁঝ যেন কমছেই না। তবে নতুন পেঁয়াজ বাজারে উঠতে শুরু করেছে। আশা করি দাম কমে আসবে।