জানা গেছে, নিহত আনিসা আনান ওই এলাকার আলী আহম্মদের মেয়ে। তিনি নোয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেণির প্রথম বর্ষের পড়াশুনা করতেন। এছাড়া আহত সুমাইয়া তাসনুর এলাকার নূর রহমানের মেয়ে এবং তিনি একই কলেজের একাদশ শ্রেণির প্রথম বর্ষের ছাত্রী।
আহত সুমাইয়ার চাচা সাইদুর রহমান বলেন, ‘সকালে আমার ভাতিজি ইজিবাইকে করে কোচিং করতে মাইজদী কোর্ট থেকে মাইজদী বাজার সংলগ্ন মাস্টারপাড়ায় যাচ্ছিল। বড় মসজিদ মোড় থেকে অপর ছাত্রী আনিসা আনান ইজিবাইকে উঠেন। ইজিবাইকটি সোনাপুর- মাইজদী সড়কের গ্রিণ হল কমিউনিটি সেন্টারের সামনে পৌঁছায়। এ সময় বিপরীত দিক থেকে একটি পিকআপ দ্রুত গতিতে আসছিল। এতে ইজিবাইকের চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়ি চলন্ত অবস্থায় লাফ দেন। এসময় পিকআপটি ইজিবাইকের সামনে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই আনিসা মারা যায় এবং সুমাইয়া গুরুতর আহত হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আহত সুমাইয়াকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
সুধারাম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ইকবাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঘাতক পিকআপ ও ইজিবাইকটি জব্দ করা হয়েছে, তবে চালকরা পালিয়ে গেছে। নিহতের লাশ ময়না তদন্ত না করেই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’