জানা গেছে, রিক্সা চালক বাবা অভাবের কারণে তার মেয়ে লিমা আক্তারকে পাশের গ্রামের এক দিনমজুরের সঙ্গে বিয়ে দিচ্ছিলেন। শারীরিক ও মানসিকভাবে উপযুক্ত না হওয়ায় নিজের বিয়েতে বাধা দিতে পারছিল না লিমা। পরে খবর পেয়ে ইউএনও আমিন আল পারভেজ কনের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বাল্য বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেন।
ইউএনও আমিন আল পারভেজ বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে শনিবার (৯ ডিসেম্বর) রাত আটটার দিকে লিমার বাড়িতে উপস্থিত হই। সে সময় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামানের আন্তরিক সহযোগীতায় লিমার বাবা-মাকে বাল্য বিয়ের কুফল বোঝাতে সক্ষম হই। পরে লিমার বাবা-মা মেয়েকে বাল্য বিয়ে না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘লিমা স্থানীয় জনতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে বিয়েতে রাজি ছিল না। বিয়ের সুফল বা কুফলও সে ভালো বোঝে না। মেয়ের বিয়ের আইনানুগ বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না এমন শর্তে লিমার বাবা-মায়ের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে বিয়ে বন্ধ করা হয়েছে।’
আরও পড়ুন:
‘বাড়াবাড়ি করলে আরেকটি লাশ পড়বে’