প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোর পৌনে ৪টার দিকে আগুন লাগলে স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। এসময় নাইক্ষ্যংছড়ি থানার পুলিশ ও বিজিবিও আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়। তাদের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে না এলে কক্সবাজার ও কক্সবাজারের উখিয়া থেকে ফায়ার সার্ভিসের দু’টি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
আগুনে কয়েকটি দোকান ছাড়াও মার্কেটে অবস্থিত কয়েকটি অফিস ঘরও পুড়ে গেছে। এর মধ্যে নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার নয়নের অফিসও রয়েছে। তার এই অফিসে প্রেস ক্লাবের গুরুত্বপূর্ণ অনেক নথিই সংরক্ষিত ছিল। এছাড়া, রুপন চন্দ্র নাথ ও শহিদুল্লাহর ইলেকট্রনিক্সের দোকান, মো. নুরুর মুদির দোকান, দুলাল কান্তি শর্মার সেলুনের দোকান, মোজাফ্ফর আহমদের লাইব্রেরি ও নুরুল ইসলামের ওষুধের দোকান এবং মার্কেট মালিকের বসত ঘরসহ সাতটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুনে দুইটি মোটরসাইকেল ও বিভিন্ন মালামালসহ প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ইউপি চেয়ারম্যান তসলিম ইকবাল চৌধুরী।
নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেস ক্লাবের সভাপতি শামীম ইকবাল চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রেস ক্লাবের নিজস্ব কোনও ভবন না থাকায় সাধারণ সম্পাদক আবুল বশরের অফিসে ল্যাপটপ, টিভি, আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ডক্যুমেন্ট সংরক্ষিত ছিল। এর সবই আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।’
ঘটনার পর শুক্রবার সকালে নাইক্ষ্যংছড়ির উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম সরওয়ার কামাল ও থানা পরিদর্শক (ওসি) শেখ মো. আলমগীর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
আরও পড়ুন-
রংপুরের নগরপিতা মোস্তফা