আহতরা হলেন— মহিষবান্দি গ্রামের ভ্যানচালক কালাম মিয়া (৪৮) ও পথচারী জামুডাঙ্গা গ্রামের আবদুল জলিল মিয়া (৫৫)। তাদের সাদুল্যাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, প্রাইভেট কারে বিপ্লবের ছেলে নোমানসহ তিন-চার জন ছিলে। কারটি নলডাঙ্গা থেকে সাদুল্যাপুরের দিকে আসছিল। কারটি বাঁধের মাথায় মসজিদের সামনে পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এসময় সড়কের ডান পাশে বাঁশের সঙ্গে কারটি ধাক্কা খায়। পরে কারটি সড়কের বাম পাশে থাকা ব্যাটারিচালিত ভ্যানকে ধাক্কা দিলে ভ্যানটি কারের নিচে চাপা পড়ে। এতে ভ্যানের চালক কালাম ও ভ্যানের পেছনে থাকা পথচারী আবদুল জলিল আহত হন। এসময় প্রাইভেট কার ও ভ্যানটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনার পর প্রাইভেট কারে থাকা রোমানসহ অন্যরা পালিয়ে যায়।
ঘটনাস্থলে থাকা সাদুল্যাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া প্রাইভেট কার ও ভ্যান উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। প্রাইভেট কারে থাকা নোমানসহ অন্যরা ভয়ে গাড়ি রেখে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, প্রাইভেট কারের পেছনের চাকা পাংচার হয়ে পড়ায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।’
সাদুল্যাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়া খাঁন বিপ্লব জানান, আহতদের নিয়ে তিনি অ্যাম্বুলেন্সে করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যাচ্ছেন। তবে প্রাইভেট কারে থাকা ছেলে নোমানসহ অন্যদের কী অবস্থা বা তারা কোথায় আছে, সে সম্পর্কে তিনি এখনও কিছু জানতে পারেননি বলে জানান।
আরও পড়ুন-
মাগুরায় মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আছাদুজ্জামানের ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
কিস্তি না দিতে পেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা: মামলা হয়নি, তদন্তে তৎপর নয় পুলিশ