সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক শরীফ এনামুল কবির বলেন, ‘রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচন সংক্রান্ত সংশোধিত সংবিধি (চতুর্থ) এর ১.১ ধারা অনুযায়ী উপাচার্যের অনুমোদনক্রমে রিটার্নিং অফিসার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করবেন। কিন্তু রিটার্নিং অফিসার নিয়োগের আগেই উপাচার্য নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন। এছাড়া রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট নিবন্ধন সংক্রান্ত ১.২ ধারা মানা হয়নি এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট সদস্যদের তালিকা প্রণয়ন সংক্রান্ত ১.৩ ধারা যথাযথভাবে পালন করা হয়নি।’
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন সংক্রান্ত যেকোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের বা রিটার্নিং অফিসারের। রিটার্নিং অফিসারকে পাশ কাটিয়ে উপাচার্য লিখিত আদেশ দিয়ে রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েটদের তথ্য উন্মুক্ত করতে বাধ্য করেছেন।’
তবে উপাচার্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘২০ মে নির্বাচনের প্রাথমিক তারিখ ঘোষণা করা হয়েছিল। নানা কারণে সেটি পিছিয়ে যায়। পরবর্তীতে ১১ সেপ্টেম্বর কোষাধ্যক্ষ শেখ মো. মনজুরুল হককে রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ১২ সেপ্টেম্বর রিটার্নিং অফিসার নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করেন। অতএব এখানে বিধির ব্যত্যয় ঘটেনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিধি মোতাবেকই সব নির্বাচনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। আমি চাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পর্ষদের নির্বাচনগুলো যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হোক। বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চালু থাকুক। দীর্ঘ ১৯ বছর পর রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই উদ্যোগ অনেকের কাছে আকাঙ্ক্ষিত নাও হতে পারে। অনেকেই চাইবে না উপাচার্য পদে কোনও সাফল্য যুক্ত হোক। তাই নির্বাচন সুষ্ঠু করতে নানা বাধা আসতে পারে।’