সরেজমিনে সিমেন্ট ফ্যাক্টরির মাঠে গিয়ে দেখা গেছে, ইজতেমা মাঠে ঢোকার জন্য পৃথক চারটি গেট তৈরি করা হয়েছে। দক্ষিণ পাশে রাখা হয়েছে পানি ও ল্যাট্রিনের ব্যবস্থা। কোন উপজেলার মুসল্লিরা কোথায় বসবেন, আগে থেকেই তা চিহ্নিত করে তৈরি করা হয়েছে ম্যাপ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জেলা প্রশাসনের সহায়তায় প্রায় একমাস পরিশ্রম করে সাথী ও কর্মীরা ইজতেমার জন্য প্রস্তুত করেছেন এই প্রাঙ্গণকে।
ইজতেমাকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতির কথা জানিয়ে জয়পুরহাট জেলার পুলিশ সুপার রশীদুল হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ইজতেমায় নিরাপত্তার জন্য আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। ইজতেমা প্রাঙ্গণে মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক তৎপর থাকবে পুলিশ। চার স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া, তিনটি ওয়াচ টাওয়ারে রাখা হয়েছে দূরবীক্ষণ যন্ত্র।’ সার্বক্ষণিক টহলের পাশাপাশি সাদা পোশাকের পুলিশ ও গোয়েন্দা নজরদারির ব্যবস্থাও থাকবে বলে জানান পুলিশ সুপার।
এদিকে, ইজতেমা সফল করতে সোমবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক মোকাম্মেল হকের সভাপতিত্বে আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই সভায় সিদ্ধান্ত হয়, পুলিশের পাশাপাশি র্যাবের একটি অস্থায়ী ক্যাম্প সার্বক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মনিটরিং করবে। এছাড়াও বিদ্যুৎ, পানি, অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক ও ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে ইজতেমা প্রাঙ্গণে।