সহকারী রিটার্নিং অফিসার রহিমা কানিস জানান, ৪৩৭৩ জনের মধ্যে ৩৬৩৫ জন রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন, যা মোট ভোটারের ৮৩ শতাংশ। নতুন কলা ও মানবিকী অনুষদ ভবন কেন্দ্রে ১৯৬২ এবং সমাজবিজ্ঞান অনুষদ ভবন কেন্দ্রে ১৬৭৩টি ভোট পড়েছে।
নির্বাচনে ২৫টি আসনের বিপরীতে লড়েছেন ১১৯ জন প্রার্থী। আওয়ামী লীগপন্থীরা বিভক্ত হয়ে ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল জোট’ এবং ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও প্রগতিশীল গ্র্যাজুয়েট মঞ্চ’ নামে দুটি প্যানেলে নির্বাচন করেন। অপরদিকে, বিএনপিপন্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ‘জাতীয়তাবাদী প্যানেল’ থেকে। এছাড়া, ৪৪ জন প্রার্থী স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।
রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েটদের ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ পাওয়া প্রথম ২৫ জন বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার সর্বোচ্চ পর্ষদ সিনেটে প্রতিনিধিত্ব করবেন।
এর আগে ১৯৯৮ সালের ২৬ এপ্রিল সর্বশেষ রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ-১৯৭৩'-এর ১৯ (১) (আই) ধারা অনুযায়ী তিন বছর পরপর এ নির্বাচন হওয়ার কথা। নিয়মিত নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়ায় ১৯৯৮ সালের নির্বাচিতরাই গত ১৯ বছর ধরে সিনেটে সাবেক শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব করে আসছিলেন।