আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো সংবাদ
সারাদেশের মতো বাগেরহাটে আজ বই উৎসব পালিত হয়েছে। বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ৩২ লাখ নতুন বই। সোমবার (১ জানুয়ারি) সকালে বাগেরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিয়ে বই উৎসবের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ ডা. মোজাম্মেল হোসেন।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান জানান, বাগেরহাট জেলায় এ বছর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ১৫ লাখ ২০ হাজার ৩২০টি বই, দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে ৪ লাখ ৮৮ হাজার ৪৫০টি, এবতেদায়ি শিক্ষার্থীদের মাঝে ২ লাখ ৩৪ হাজার ১০৭টি, এসএসসি ভোকেশনালের শিক্ষার্থীদের মাঝে ৪৬ হাজার ২৬৫টি, দাখিল ভোকেশনালের শিক্ষার্থীদের মাঝে ৩ হাজার ৮৭০টি বই বিতরণ করা হয়েছে।
নতুন বছরের প্রথম দিনে রংপুরে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ করা হয়েছে। রংপুর জিলা স্কুল অডিটরিয়ামে বই বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার কাজী হাসান আহাম্মেদ। প্রধান অতিথি রংপুর নগরীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের বই বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে রংপুর জেলা প্রশাসক ওয়াহিদুজ্জামান শিক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
এবার রংপুর বিভাগে ২১ লাখ ৩৩ হাজার ৩৮৪ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে ২ কোটি ৭৮ লাখ ৭৮ হাজার ৩০টি বই বিতরণ করা হয়েছে।
বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা আর আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যদিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে বই উৎসব পালন করা হয়েছে। সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিয়াজ মুহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথি হিসেবে বই উৎসবের উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। অনুষ্ঠানে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে বছরের প্রথমদিনে নতুন বই তুলে দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিক্ষা অফিসার গৌতম চন্দ্র মিত্র এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুব্রত বণিক জানান, এ বছর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় মাধ্যমিক ও প্রাথমিকে ৬৮ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হবে। যার কার্যক্রম আজ বছরের প্রথমদিন থেকে শুরু হয়েছে। বই পেয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক অভিভাবক সবাই খুশি বলে জানান তারা।
উৎসব মুখর পরিবেশে বিভাগীয় শহর ময়মনসিংহে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বছরের শুরতেই বই তুলে দেওয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে ময়মনসিংহ জেলা স্কুল মাঠে আয়োজিত বিভাগীয় পাঠ্য পুস্তক বিতরণী অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার জিএম সালেহ উদ্দিন বেলুন উড়িয়ে বই উৎসবের উদ্বোধন করেন। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরের উপ-পরিচালক এএসএম আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক গাজী হাসান কামাল, পরিচালক মাউশি প্রফেসর আব্দুল মোতালেবসহ অনেকে।
নতুন বছরের প্রথম দিনে ময়মনসিংহ বিভাগে ৮ হাজার ৮৮৮টি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল ও মাদ্রাসার মোট ২৬ লাখ ৭১ হাজার ৪৯১ শিক্ষার্থীর হাতে ২ কোটি ৭৫ লাখ ৬৮ হাজার ১১৬টি বই তুলে দেওয়া হয়েছে।
ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিনে দিনাজপুরের হিলিতে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টায় বাংলা হিলি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উপজেলা চেয়ারম্যান আকরাম হোসেন মণ্ডল ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা. শুকরিয়া পারভীন বই উৎসবের উদ্বোধন করেন।
এসময় সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন, পৌর মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত, হিলি স্থলবন্দর আমদানি রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ হারুন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শরিফা খাতুন, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার সাখাওয়াত হোসেনসহ অনেকে। উপজেলার প্রায় ৬০টিরও বেশি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে একযোগে এ বই বিতরণ করা হয়।
‘নতুন বছর নতুন দিন নতুন বইয়ে হোক রঙিন’ এই স্লোগানে পাবনায় উৎসব মুখর পরিবেশে পালিত হয়েছে বই উৎসব। সোমবার সকালে পাবনা জেলা স্কুল প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেন পাবনা জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন। বই উৎসবে একযোগে জেলার ৩২৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৭ লাখ ৪৪ হাজার ৮৯৯ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে বই বিতরণের কথা রয়েছে।