মিরপুর উপজেলার মশান গ্রামের আল আমিন বলেন, ‘তীব্র শীতে ঘর থেকে বের হতেই পারছি না। যদিও বের হচ্ছি কাজের জন্য। কিন্ত কোনও কাজই ঠিকমতো করতে পারছি না।’ একই কথা জানালেন মিরপুর বাজারের চা বিক্রেতা মোহাম্মদ ইসা হকও।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আএরমও) ডা. তাপস কুমার সরকার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তীব্র শীতের কারণে শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি শীতজনিত রোগে ভুগছে। এসময় তাদের প্রতি অনেক বেশি যত্নশীল হতে হবে।’
জেলার বিভিন্ন এলাকায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নেওয়া শীতার্ত ছিন্নমূল মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক জহির রায়হান। শহরের কোর্ট স্টেশন ছাড়াও মজমপুর বাসস্ট্যান্ড, বাস টার্মিনাল, লালন শাহর মাজার এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় ভাসমান মানুষের মধ্যে তার নেতৃত্বে শতাধিক কম্বল বিতরণ করা হয়।
এদিকে, শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় কুষ্টিয়ায় গরম কাপড়ের চাহিদাও বেড়েছে। নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যদের আনাগোনা থাকায় ফুটপাতের বেচাকেনাই জমজমাট হয়ে উঠেছে। আর নতুন কাপড়ের দাম বেড়ে যাওয়ায় পুরনো কাপড়ের দোকানের দিকে ক্রেতারা ঝুঁকে পড়ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। শহরের এনএস রোডের পাবলিক লাইব্রেরি মাঠের সামনে, বঙ্গবন্ধু সুপার মার্কেটের সামনে, মিরপুর পশুহাটসহ বিভিন্ন স্থানে বসেছে পুরনো কাপড়ের পসরাও।
পুরনো কাপড় বিক্রেতা হাবলু মিয়া বলেন, ‘শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গরম কাপড়ের চাহিদাও বেড়েছে। দাম হওয়ায় ক্রেতারাও এসব গরম কাপড় কেনার জন্য ঝুঁকছেন।’
আরও পড়ুন-
গোপালগঞ্জের সিলনা এখন ‘উচ্ছে গ্রাম’
বিশ্ব ইজতেমায় যোগ দিতে আসছেন বিদেশি মুসল্লিরা