পেঁয়াজের রফতানিমূল্য কমালো ভারত

পেঁয়াজ (ফাইল ছবি)

স্থানীয় বাজারে অব্যাহতভাবে দাম বাড়তে থাকায় পেঁয়াজের সর্বনিম্ন রফতানিমূল্য বাড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। তবে সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন রফতানিমূল্য কমিয়ে দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। পেঁয়াজের রফতানিমূল্য প্রতি মেট্রিক টনে ৮৫২ ডলার থেকে ১৫০ ডলার কমিয়ে ৭০২ ডলার করেছে ভারত। হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি মো. হারুন উর রশীদ হারুন এ খবর নিশ্চিত করেন।

বন্দরসূত্র জানায়, এ সংক্রান্ত নির্দেশনা শনিবার (২০ জানুয়ারি) বিকালে হিলি কাস্টমসে এসেছে, যা বিকাল থেকেই কার্যকরও হয়েছে।

এ নিয়ে ভারতের হিলির সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট খোকন সরকারের সঙ্গে সীমান্তের শূন্যরেখায় কথা হয় এ প্রতিবেদকের। খোকন সরকার বলেন, ‘পেঁয়াজের ন্যূনতম রফতানিমূল্য ৮৫২ মার্কিন ডলার থেকে কমিয়ে ৭০২ ডলার করেছে ন্যাফেড (ভারতের কৃষিজাত পণ্যের ন্যূনতম রফতানিমূল্য নির্ধারণকারী সংস্থা)। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা কাস্টমসে এসে পৌঁছেছে, এখন থেকে নতুন মূল্যে পেঁয়াজ রফতানি হবে।’

মো. হারুন উর রশীদ হারুন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, পেঁয়াজের উৎপাদনে ঘাটতির কারণে প্রতি বছর তিন লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ ভারত থেকে আমদানি করতে হয় বাংলাদেশকে। অকাল বৃষ্টির কারণে ভারতের বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় সে দেশের সরকার রফতানিমূল্য বাড়িয়ে দেয়। বাংলাদেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়ে।

তিনি আরও জানান, শনিবার বিকালে ভারতীয় রফতানিকারকরা পেঁয়াজের রফতানিমূল্য কমেছে বলে জানিয়েছেন। তবে আজ (শনিবার) ব্যাংক বন্ধ থাকায় নতুন মূল্যে এলসি (ঋণপত্র) খোলা যাচ্ছে না। আগামীকাল রবিবার ব্যাংক খুললে নতুন মূল্যে এলসি খোলা হবে এবং নতুন মূল্যে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হবে। আমদানিমূল্য কমায় দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম কমবে।