নবনিযুক্ত আঞ্চলিক কমান্ডার ও সেক্টর কমান্ডারের হিলি স্থলবন্দর পরিদর্শন

বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময়দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত এলাকা ও হিলি স্থলবন্দরের কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন সীমান্তরক্ষী বাহিনী বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) রংপুর অঞ্চলের নবনিযুক্ত আঞ্চলিক কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাহিদুল ইসলাম খান ও দিনাজপুরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আনিসুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় তারা হিলি সীমান্ত এলাকা পরিদর্শনে আসেন। এসময় সীমান্তের শূন্যরেখায় ফুল ও মিষ্টি দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করে বিজিবি ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। পরে তারা সীমান্তের শূন্যরেখায় বিএসএফ পোস্টে এক বৈঠকে মিলিত হন।
বৈঠকে বিজিবির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন রংপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল নাহিদুল ইসলাম খান, দিনাজপুর সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আনিসুর রহমান, রংপুর অঞ্চলের অপারেশন অফিসার মোরশেদ আলম, বিজিবির জয়পুরহাট ব্যাটালয়নের অধিনায়ক রাশেদ মোহাম্মদ আনিসুল হক ও বিজিবি দিনাজপুর সেক্টরের জিটু মেজর রবিউল ইসলাম। বৈঠকে বিএসএফের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ভারতের ১৯৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বি এস নেগি ও সেকেন্ড ইন কমান্ড আলকেশ সিনহা।
বৈঠক শেষে বিজিবি’র আঞ্চলিক কমান্ডার (রংপুর) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাহিদুল ইসলাম খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সীমান্তে কর্তব্যরত বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করতেই আজকে এখানে এসেছি। দুই সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে আমরা বৈঠক করেছি। এসময় আমরা দুই পক্ষের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি। সীমান্তসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমস্যা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।’
হিলি স্থলবন্দর পরিদর্শন করছেন দুই বিজিবি কর্মকর্তাসীমান্তের অন্য এলাকার তুলনায় হিলি ভালো অবস্থানে রয়েছে উল্লেখ করে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এই সীমান্তে তেমন কোনও সমস্যা নেই। আমরা সীমান্তে কর্তব্যরত দুই বাহিনী যেন যৌথ উদ্যোগে সীমান্তের নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও উন্নত রাখতে পারি এবং সীমান্তকে আরও সুরক্ষিত রাখতে পারি, সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বৈঠকে।’
পরে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাহিদুল ইসলাম খান ও কর্নেল আনিসুর রহমান হিলি স্থলবন্দর পরিদর্শন করেন। এসময় তারা বন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রফতানি কার্যক্রমসহ পণ্যের পরীক্ষণ, শুল্কায়ন, কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম পরিদর্শন এবং কাস্টমস ও পোর্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
পানামা হিলি স্থলবন্দরের ম্যানেজার অশিত কুমার স্যানাল, বন্দরের জনসংযোগ বিষয়ক কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন, কাস্টমসের সুপার দ্বীন মোহাম্মদ ও গুদাম কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম এসময় তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।