বিদ্যালয়ের বালিকা শাখার প্রধান শিক্ষক সেলিম ইমতিয়াজ জানান, অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ৯৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। প্রত্যেকেই গ্রামবাংলার চিরাচরিত বিভিন্ন ধরনের পিঠা প্রদর্শন করে। অতিথিরা পিঠাগুলো পর্যবেক্ষন এবং স্বাদ গ্রহণের মাধ্যমে ৩টি দলে ১৭ জনকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুরস্কার প্রদান করেন। অন্য অংশগ্রহণকারীদেরও পুরস্কৃত করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বানু বলেন, ধারাবাহিক শিক্ষা প্রদানের পাশাপাশি এ ধরনের অনুষ্ঠান শিক্ষার্থীদের মধ্যে গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী পিঠা তৈরি, বিভিন্ন পিঠার সঙ্গে পরিচিতি এবং এ সব ঐতিহ্যবাহী পিঠা তৈরি ও স্বাদ গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করবে। এমন অনুষ্ঠানের আয়োজন করায় তিনি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।
এ সময় কেজি শাখার প্রধান শিক্ষক কামাল মৃধা, সিনিয়র শিক্ষক সন্তোষ সান্যাল, কেজি শাখা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি রুস্তম আলী, সদস্য আবু হাকিম মৃধাসহ বিভিন্ন শিক্ষক ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ৫০ ধরনের পিঠা প্রদর্শন করা হয়।