আনোয়ার হোসেন কারাগারে রয়েছেন। গত ১৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। দিয়াজ হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টরের দায়িত্বে ছিলেন।
এ বিষয়ে জানতে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কামরুল হুদার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
২০১৭ সালের ২০ নভেম্বর রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন নিজ বাসা থেকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ও চবি ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিয়াজ ইরফান চৌধুরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজে তার প্রথম ময়নাতদন্ত হয়। এর প্রতিবেদনে দিয়াজকে হত্যা করা হয়েছে এমন আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানায় পুলিশ।
ওই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে দিয়াজের পরিবারসহ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের একটি অংশ। পরে বিষয়টিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড দাবি করে দিয়াজের মা জাহেদা আমিন চৌধুরী ২৪ নভেম্বর ছাত্রলীগ নেতা, সহকারী প্রক্টর আনোয়ার হোসেনসহ ১০ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা করেন এবং লাশের পুনঃময়নাতদন্ত করার আবেদন জানান।
পরে আদালতের নির্দেশে গত ১০ ডিসেম্বর কবর থেকে লাশ তুলে ফের ময়নাতদন্ত করা হয়। পুনঃময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে দিয়াজের মৃত্যুকে শ্বাসরোধজনিত হত্যা বলে উল্লেখ করা হয়।