কুমিল্লায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায়ে যুবকের দুই বছরের কারাদণ্ড

প্রশ্নপত্র ফাঁসকারী সিন্ডিকেটের সদস্য খাইরুল ইসলাম

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় খাইরুল ইসলাম (২১) নামে প্রশ্নপত্র ফাঁসকারী সিন্ডিকেটের এক সদস্যকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে তাকে এ কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর আগে উপজেলার রামচন্দ্রপুর রামকান্ত উচ্চবিদ্যালয়ের পরীক্ষাকেন্দ্রের পাশ থেকে তাকে আটক করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিতু মরিয়ম এ খবর নিশ্চিত করেন।

সাজাপ্রাপ্ত খাইরুল ইসলাম উপজেলার কামাল্লা ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের তরিকুল ইসলামের ছেলে। সে এ বছর কুমিল্লা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট থেকে ডিপ্লোমা পাশ করেছে। মঙ্গলবার পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষা শুরুর আধাঘণ্টা আগে দু’টি স্যামসাং মোবাইল ফোন ও এর মধ্যে থাকা পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্রসহ তাকে আটক করা হয়।

সূত্র জানায়, সকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রায়হান মেহবুবকে ছাত্র সাজিয়ে তাকে নিয়ে রামচন্দ্রপুর রামকান্ত উচ্চবিদ্যালয়ের পরীক্ষাকেন্দ্রে আসেন ইউএনও মিতু মরিয়ম। ওই স্কুলের পাশে শহীদ মিনার সংলগ্ন মাঠে প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র বিক্রি হচ্ছে, এমন খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সেখানে যান মো. রায়হান মেহবুব ও মিতু মরিয়ম। এসময় প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র বিক্রি করা অবস্থায় খাইরুল ইসলামকে আটক করা হয়।

সূত্র আরও জানায়, পরে মিতু মরিয়মের ভ্রাম্যমাণ আদালতে খাইরুল ইসলাম অপরাধ স্বীকার করলে তাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

ইউএনও মিতু মরিয়ম বলেন, ‘খাইরুলের মোবাইল ফোনে প্রশ্নপত্র ফাঁসকারী চক্রের অনেকের ফোন নম্বর ও ছবি রয়েছে।’