পরীক্ষা শুরুর আগে সকাল ৯টা ২৫ মিনিটের দিকে বিরলের ধুকুরঝাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের গেটে মোবাইল ফোনে পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের প্রশ্ন ও উত্তরপত্র দেখছিল ৩ পরীক্ষার্থী। তারা হলো, উপজেলার ফরক্কাবাদ মাঝাপাড়া গ্রামের নুর ইসলাম নয়ন, ধনগ্রামের মাহফুজ আলম ও মোহনপুর গ্রামের রিয়াদ উল ইসলাম। এসময় বিরল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম রওশন কবীর তাদের মোবাইল ফোনসহ আটক করেন। পরে তাদের পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
বিরল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. তৈয়ব আলী আটকদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। বিরল থানার ওসি আব্দুল মজিদ এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
একই সময়ে বিরামপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে মোবাইল ফোনে প্রশ্ন ও উত্তরপত্র দেখার সময় ৩ পরীক্ষার্থী নাজমুছ সাকিব, বিজয় চন্দ্র ও শামীম আহমেদ সবুজকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর প্রশাসনের কর্মকর্তারা মোবাইল ফোনে প্রশ্নপত্র ও পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে মিল খুঁজে পান। পরে আটকদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেসুর রহমান জানান, পরীক্ষায় মোবাইল ফোনে প্রশ্ন ও উত্তরপত্রে মিল খুঁজে পাওয়ায় ওই ছাত্রদের আটক করে মামলা দেওয়া হয়েছে। বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, বিরল উপজেলার ধর্মপুর ইউসি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এক শিক্ষার্থীকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে। কেন্দ্র সচিব আব্দুল বাসেদ এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।