এ ঘটনার পর আহত ছাত্র রাসেল খানকে (১২) বিকালে বরিশাল নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত রাসেল খান উজিরপুরের শোলক ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আফজাল খানের ছেলে এবং উপজেলার শোলক ভিক্টোরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য হারুন অর রশিদ প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানান, রাসেল পড়া বলতে গিয়ে ভুল বলায় ধর্ম শিক্ষক মাওলানা ইদ্রিস মোল্লা ক্ষিপ্ত হয়ে ওই কাণ্ড ঘটান।
তিনি বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক রাসেল খানকে নিয়ে আশোকাঠি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশালে পাঠান করেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হোসেন সরদার বলেন, দেয়ালে ছাত্রের মাথা ঠুকে দেওয়ার বিষয়টি তিনি শুনেছেন। এ ঘটনায় শনিবার ম্যানেজিং কমিটির জরুরি সভা ডাকা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কয়েকদিন আগে ওই শিক্ষক আরেক শিক্ষার্থীকে মারধর করায় স্থানীয়ভাবে বিষয়টি সমাধান করা হয়।
এ ব্যাপারে চেষ্টা করেও ধর্ম শিক্ষক মাওলানা ইদ্রিস মোল্লার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সরোয়ার জানান লিখিত অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী দোষীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আহত ছাত্রের বাবা আফজাল খান জানান বিদ্যালয়ের ধর্ম শিক্ষক মাওলানা ইদ্রিস মোল্লা ক্লাসে গিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে পড়া জিজ্ঞাসা করেন।
এসময় বাপ্পি নামের এক ছাত্র পড়া বলতে না পারায়, তার পাশে থাকা রাসেল পড়া বলতে চাইলে তার ওপর ক্ষিপ্ত হন ওই শিক্ষক। তিনি রাসেলের মাথা ধরে পাশের দেয়ালের ঠুকে দিয়ে রাসেলকে আহত করেন।
আহত রাসেল জানায়, বাপ্পীর পরিবর্তে সে পড়া বলতে চাওয়ার পরপরই শিক্ষক তাকে প্রথমে চড়-থাপ্পড় মারেন। পরে মাধা ধরে দেয়ালের সঙ্গে ঠুকে দিতে শুরু করেন ।