অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় চট্টগ্রামে সাবেক এক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানকে চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে আসামিকে ৫১ লাখ ৬২ হাজার ২১৭ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মীর রুহুল আমিন এ রায় দেন। দুদকের আইনজীবী পিপি মাহমুদুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত নুরুল হক চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী উপজেলার চরণদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।
পিপি মাহমুদুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত দণ্ডবিধির দু’টি পৃথক ধারায় তাকে ৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। দণ্ডবিধির ২৬(২) ধারায় একবছর এবং ২৭ (১) ধারায় তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।’
আদালত সূত্র জানায়, ২০০৯ সালের ৯ ডিসেম্বর দুদকের ওই সময়কার সহকারী পরিচালক জালাল উদ্দিন অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে নুরুল হকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ২০১০ সালের ৩০ জুন ওই মামলায় অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেন তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আমিরুল ইসলাম। ২০১২ সালের ২ জানুয়ারি নুরুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। ওই মামলায় ২৩ জনের মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্য নিয়ে আজ (মঙ্গলবার) আদালত এ রায় দেন।