জামিনে মুক্তি পেলেন বিএনপি নেতা হাসান সরকার

হাসান উদ্দিন সরকার

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও গাজীপুর-২ (টঙ্গী সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকার জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। গাজীপুরের কাশিমপুরের হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বৃহস্পতিবার (১ মার্চ) দুপুরে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। কাশিমপুর কারাগারের জেলার বিকাশ রায়হান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

গাজীপুর আদালতের পরিদর্শক রবিউল ইসলাম জানান, গত ৬ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ক্ষমতা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের একটি মামলায় টঙ্গী এলাকা থেকে গ্রেফতারের পর হাসান উদ্দিন সরকারকে আদালতের মাধ্যমে গাজীপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। পরে সেখান থেকে তাকে কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

তিনি আরও জানান, বুধবার হাসান উদ্দিন সরকারের আইনজীবীরা গাজীপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিন আবেদন করেন। বিচারক একেএম এনামুল হক এ আবেদন মঞ্জুর করেন।

কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার বিকাশ রায়হান জানান, বুধবার রাতে জামিনের কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছালে যাচাই-বাছাই শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে হাসান উদ্দিন সরকারকে মুক্তি দেওয়া হয়।

এদিকে, বিএনপির একটি সূত্র জানায়, কারাগার থেকে মুক্তিলাভের পর হাসান উদ্দিন সরকারকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হাসান উদ্দিন সরকারের বড় ছেলে সরকার সাইফুল ইসলাম বিপ্লব জানান, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রায়কে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেফতারে অভিযান চালায় পুলিশ। রায় ঘোষণার দুই দিন আগে ৬ ফেব্রুয়ারি টঙ্গীর একটি মাদ্রাসায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ হাসান উদ্দিন সরকারকে আটক করে। এসময় জিয়া পরিষদ নেতা আজিজুল হক রাজু মাস্টার, হাসান উদ্দিন লস্কর এবং হাসান সরকার প্রতিষ্ঠিত আহসান উল্লাহ সরকার ইসলামিক ফাউন্ডেশন এতিমখানার প্রধান উপদেষ্টা আবু আহমেদকেও আটক করা হয়। পরে টঙ্গী মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে পুলিশের দায়ের করা একটি মামলায় হাসান উদ্দিন সরকারকে গ্রেফতার দেখানো হয়।