সোনাপুর জিরো পয়েন্ট এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান নোয়াখালীবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে সোনাপুর জিরো পয়েন্ট এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। ‘সরকারি এবং স্থানীয় ভূমি ইমারত (দখল ও পুনরুদ্বার) অধ্যাদেশ আইন ১৯৭০’-েএর ধারা ৭ অনুযায়ী ১৯ জন দোকান মালিককে মোট ১৯ হাজার ৫শ’ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া সোনাপুর জিরো পয়েন্টের রাস্তার পাশের ফুটপাতের সব দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে।
অসহনীয় যানজট নিরসনে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মাহবুবুল আলমের নেতৃত্বে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন বিশ্বাস বৃহস্পতিবার (৮ মার্চ) এই অভিযান পরিচালনা করেন। তাকে সহযোগিতা করেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর সাখাওয়াত হোসেন, সুধারাম মডেল থানার পুলিশ ও আনসার-ভিডিপি সদস্যরা।
সোনাপুর জিরো পয়েন্ট এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান নোয়াখালী পৌরসভা উচ্ছেদ কার্যক্রমে যানবাহন ও জনবল দিয়ে সার্বিক সহযোগিতা দিয়েছে।
সোনাপুর জিরো পয়েন্ট এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালী জেলার সোনাপুর-বেগমগঞ্জ চৌরাস্তা সড়কের বিভিন্ন অংশে বিদ্যমান যানজট দূরীকরণের জন্য জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভার সিদ্ধান্তের আলোকে প্রথম পর্যায়ে সোনাপুর জিরো পয়েন্ট থেকে এই অভিযান শুরু করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক মো. মাহবুব আলম তালুকদার নোয়াখালী জেলাকে যানজটমুক্ত পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব জেলা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে যে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তারই অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। সোনাপুর জিরো পয়েন্টসহ জেলার অন্যান্য স্থানে বিদ্যমান যানজট অবসান না হওয়া পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সোনাপুর জিরো পয়েন্ট এলাকায় উচ্ছেদ অভিযানসোনাপুরবাসী জানিয়েছেন, এই উচ্ছেদ অভিযানের ফলে নোয়াখালী সদর দক্ষিণাঞ্চলের সুবর্ণচর ও হাতিয়া উপজেলা, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতিবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হয়েছে।