আমচাষিরা বলছেন, এবার একটু দেরিতে এলেও মুকুল আসার সময়টিতে আবহাওয়া রয়েছে অনুকূলে। ফলে এবার আমের ভালো ফলন আশা করছেন তারা। কৃষি বিভাগের পরামর্শে বাগানগুলোতে পুরোদমে চলছে ক্ষতিকর পোকা দমনে বালাইনাশক ও ছত্রাক নাশকের ব্যবহার।
শিবগঞ্জ উপজেলার ছত্রাজিতপুরের আমচাষি হাসান আলী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, অতিরিক্ত শীতের কারণে এবার মুকুল আসতে দেরি হওয়ায় কিছুটা শঙ্কায় ছিলাম। তবে সময়ের হিসাবে দেরি হলেও মুকুলের পরিমাণ অনেক বেশি।’
বিজ্ঞানীরাও বলছেন, আমের মুকুল আসতে কিছুটা দেরি হলেও দুশ্চিন্তার কারণ নেই। চাঁপাইনবাবগঞ্জ আম গবেষণা কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শরফ উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এবার এমন সময়ে মুকুল এসেছে যখন আবহাওয়া খুবই ভালো। ফলে বাণিজ্যিকভাবে এই মুকুল থেকে আম উৎপাদন অনেক ভালো হবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগেও এই মুকুল নষ্ট হবে কম।’ চাষিদের তাই বাগান ও মুকুল পরিচর্যায় ছত্রাকনাশক ও কীটনাশক প্রয়োগের পরামর্শ দিচ্ছেন বলে জানান তিনি।
কৃষি অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, এবার চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৯ হাজার ৫১০ হেক্টর জমিতে আম চাষ হচ্ছে। গত বছরের তুলনায় আম চাষের জমি ৩ হাজার ৩৬০ হেক্টর বেশি। গত মৌসুমে আম উৎপাদন হয়েছিল দুই লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন।
আরও পড়ুন-
ফয়জুলের ব্যবহৃত মোবাইল ও ট্যাবসহ ভাই এনামুল গ্রেফতার
প্রিয়ভাষিণীকে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছিল তারই সহকর্মী