বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ আলম মোল্লা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এখনও এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি, ঘটনা সম্পর্কেও স্পষ্ট কিছু জানাও যায় নি।
তিনি আরও বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে এখনও সুনির্দিষ্ট কোনও কারণ পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের কাছে পাওয়া তথ্য মতে, মাদক ব্যবসার জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ লাশ দু’টি নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এ ব্যাপারে স্থানীয় বাসিন্দা আলি আজম জানান, আজ ভোরে ভিআইপি সড়কের পাশ থেকে হঠাৎ করে কয়েকটি গুলি শব্দ শোনা যায়। এর কিছুক্ষণ পর ৫-৬ জন অজ্ঞাত যুবককে দৌড়ে প্রধান সড়কের দিকে চলে যেতে দেখা যায়। এরপর তিনি পুকুর পাড়ে রবিনের গুলিবিদ্ধ লাশ পড়ে থাকতে দেখেন।
এদিকে আব্দুল ছকিদার বাড়ির গৃহবধূ বেগম জানান, ফজরের আজানের পর অজু করতে বের হই। এসময় মোহাম্মদ আলী দৌড়ে এসে ঘরের ভিতর ঢোকে। এসময় তারই পেছনে অপরিচিত ৫-৬ জন লোক চাইনিজ কুড়ালসহ দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে ঘরে ঢুকে আলীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। পরে ঘরে গিয়ে মোহাম্মদ আলীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
নিহতরা উভয়ে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। কোপানোর ঘটনায় নিহত মোহাম্মদ আলী (২৫) একলাশপুর ইউনিয়নের সোলায়মানের ছেলে ও গুলিতে নিহত মো. রবিন (২০) একই এলাকার আব্দুল কাদেরের ছেলে।