কুয়েটের পাবলিক রিলেশন্স অফিসার মনোজ কুমার মজুমদার এক প্রেস বার্তায় জানান, কুয়েটের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শেষবর্ষের এ শিক্ষার্থীরা গত ১০ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত স্কয়ার গ্রুপের একটি টেক্সটাইল মিলে এক মাসের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্টের (ইন্টার্নি) জন্য ময়মনসিংহের ভালুকার মাস্টারবাড়ি এলাকার একটি ৬ তলা ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থান করছিলেন। দুর্ঘটনায় নিহত কুয়েট শিক্ষার্থী মো. তৌহিদুল ইসলামের বাড়ি বগুড়ায়। আহত মো. শাহীন মিয়ার বাড়ি সিরাজগঞ্জে, মো. হাফিজুর রহমানের বাড়ি নওগাঁয় ও দীপ্ত সরকারের বাড়ি মাগুরায়। তারা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন।
দুর্ঘটনার খবরে ওই শিক্ষার্থীদের বিভাগসহ পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। কান্নায় ভেঙে পড়েন হতাহতদের সহপাঠীরা।
খবর শোনার পরপর আহতদের দেখতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর। টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধানসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষক বর্তমানে হাসপাতালটিতে অবস্থান করছেন।
শোক বিবৃতিতে কুয়েট ভাইস-চ্যান্সেলর নিহতের আত্মার মাগফেরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনা করেন এবং শোক-সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।