যশোরে ছুরিকাঘাতে আহত ছাত্রলীগ নেতা রাকিব হাসান (২৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সোমবার সকালে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
নিহত রাকিব ছাত্রলীগ সরকারি সিটি কলেজ শাখার যুগ্ম-সম্পাদক ছিলেন। তিনি যশোর শহরের নীলগঞ্জ সাহাপাড়া এলাকার জাকির হোসেনের ছেলে। গত ২৩ মার্চ রাতে তিনি দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছিলেন।
নিহতের মা জিঞ্জিরা বেগম ও মামা মন্টু মিয়া জানান, রাকিব যশোর সিটি কলেজ থেকে এ বছর মাস্টার্স পরীক্ষা দিয়েছিল। নীলগঞ্জ ব্রিজের ওপর নসিমনের টোল আদায়কারী একই এলাকার ওহিদুল, কালু ও সাগরের সঙ্গে তার বিরোধ ছিল। গত ২৩ মার্চ বিকালে এ ঘটনায় শান্তি-শৃঙ্খলা কমিটিতে সালিশও হয়। এরপর রাত সাড়ে সাতটার দিকে রাকিব নীলগঞ্জ ব্রিজের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ওহিদুল, কালু ও সাগর তাকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। এরপর তাকে প্রথমে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সেদিন রাতেই তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসকরা। সকালে সেখানেই রাকিব মারা যায়।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রওশন ইকবাল শাহী বলেন, ‘রাকিবের খুনিদের অনতিবিলম্বে আটক ও বিচারের মুখোমুখি করা না হলে জেলা ছাত্রলীগ কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে। মরদেহ খুলনা থেকে যশোর আসার পথে রয়েছে। দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা।’
জানতে চাইলে কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজমল হুদা বলেন, ‘অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরিস্থিতি এখন শান্ত। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেফতারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাসে নেতাকর্মীরা সড়ক অবরোধ তুলে নেয়।’