পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে আকল মিয়া হত্যার মূল আসামি শামীমকে হবিগঞ্জের ডিবি পুলিশ ঢাকা থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে।
শনিবার সন্ধ্যায় শামীমকে হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে হাজির করলে সে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। জবানবন্দিতে আকল মিয়ার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে একাধিক ব্যক্তির জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে শামীম। এরপর হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশের একটি টিম চুনারুঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে রুবেলকে গ্রেফতার করে।
জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম জানান, শামীমের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সাইফুল ইসলাম রুবেলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এনিয়ে আকল মিয়ার হত্যা মামলায় তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য, গত ১ মার্চ বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে পাঁচটায় আবুল হোসেন আকল মিয়া ফজরের নামাজ পড়ার জন্য নিজ বাসা থেকে পায়ে হেটে বাল্লা রোডে আল মদিনা মসজিদে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে।
২ মার্চ শুক্রবার রাতে নিহতের ছেলে নাজমুল ইসলাম বকুল বাদী হয়ে চার জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ছয় জনের নামে চুনারুঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন।
এ ঘটনার পর চুনারুঘাটের ব্যবসায়ীসহ স্থানীয়রা হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করে।