বহিষ্কৃত তিন পরীক্ষার্থীর মধ্যে দুই জন বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্র ও একজন ভোলা সদরের একটি কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছিল। এই বোর্ডের অধীন ভোলা জেলায় ৯৪ জন, বরগুনায় ৮৩ জন, পটুয়াখালীতে ১২১ জন, পিরোজপুরে ৬৯ জন, ঝালকাঠিতে ৪৪ জন ও বরিশালে ২৪০ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়নি।
এর ফলে, বাংলা দ্বিতীয় পত্রে মোট ৫৪ হাজার ৪০২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৩ হাজার ৭৫১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।
এর আগে, গতকাল সোমবার (২ এপ্রিল) শুরু হওয়া এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথম দিনে বরিশাল বোর্ডের অধীন ছয় জেলায় অনুপস্থিত ছিল ৬৫১ জন পরীক্ষার্থী। এ ছাড়া এদিন এই বোর্ডের ছয় শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের জন্য বহিষ্কার করা হয়।
এদিকে, কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বরিশালে অনুষ্ঠিত হয়েছে এইচএসসি ও সমমানের বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা। পরীক্ষা শুরুর আধাঘণ্টা আগেই কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হয়েছে পরীক্ষার্থীদের। তবে বাসা থেকে কেন্দ্রের দূরত্ব বেশি হওয়া, ট্রাফিক জ্যামসহ বিভিন্ন কারণে প্রায় ৫ শতাংশ পরীক্ষার্থী এদিন নির্ধারিত আঘা ঘণ্টা আগে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারেনি। বিসভিন্ন কেন্দ্রে তাদের রোল নম্বর লিখে রাখা হয়েছে।
তবে পরীক্ষা শুরুর আধাঘণ্টা আগে কেন্দ্রে প্রবেশের বিষয়টিকে অধিকাংশ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা ইতিবাচক বলে জানিয়েছেন। শিক্ষকরা বলছেন, এর ফলে পরীক্ষার্থীরা আগে খাতা পেয়ে তাদের বৃত্ত ভরাট, রেজিস্ট্রেশনের কাজগুলো পরীক্ষা শুরুর আগেই শেষ করে ফেলতে পারছে।
আরও পড়ুন-
প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ নেই আজও
৩ ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষক গ্রেফতার
কুমিল্লায় দ্বিতীয় দিনে ১ হাজার ১৯ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত