খুবিতে হচ্ছে দেশের প্রথম সয়েল আর্কাইভ

সম্প্রতি সয়েল আর্কাইভের নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন খুবির উপাচার্যখুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) হচ্ছে দেশের প্রথম সয়েল আর্কাইভ। বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে (বিশ ফুট ভূগর্ভে) এ আর্কাইভ তৈরির কাজ এগিয়ে চলছে। এ কাজ শেষ হলে এখানে পুরো দেশের বনাঞ্চল ও কৃষিভূমির এক হাজার ৮৫৮টি স্থানের দুই বা তিন স্তরের মাটির নমুনা সংরক্ষিত থাকবে। যা ভবিষ্যতে বিভিন্ন গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আতিয়ার রহমান জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের এই একাডেমিক ভবনটি তৈরি হয়েছিল দেশের প্রথম ভাসমান ভিত্তি নকশার ওপর। ভবনটির মাটির ওপরে চারতলা থাকলেও নিচে রয়েছে প্রায় দোতলা সমান ফাঁকা ভিত্তিগ্রাউন্ড। গ্রিক বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসের সূত্র ধরে এ ধরনের ফাউন্ডেশনে তৈরি এটিই প্রথম ভবন। যার নির্মাণ কাজ ১৯৯৬ সালে শুরু হয়ে ১৯৯৯ সালে শেষ হয়। গ্রাউন্ডে (মাটির নিচে) যে ফাঁকা জায়গা এতদিন অব্যবহৃত ছিল, সেটির অংশ বিশেষ কাজে লাগিয়ে এ আর্কাইভ তৈরি করা হচ্ছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা-এফএও এবং বাংলাদেশ বন বিভাগ এ আর্কাইভ তৈরিতে আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা দিচ্ছে।

এই আর্কাইভ তৈরির কাজটি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আশা করেন, আর্কাইভের কাজ আগামী জুলাই মাসের মধ্যে শেষ হবে।